1. live@www.priyohalda.online : - : - -
  2. news@priyohalda.online : www.priyohalda.online www.priyohalda.online : www.priyohalda.online www.priyohalda.online
  3. info@www.priyohalda.online : প্রিয় হালদা :
সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন

চার বছরেও চলাচলের উপযোগী হয়নি মধ্য মাদার্শার ৮৭ লাখ টাকার সেতু, জনদুর্ভোগ চরমে।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে
ছবি কৃতজ্ঞতাঃ দৈনিক প্রথম আলো।

 

সংযোগ সড়ক ও বৈদ্যুতিক খুঁটির জেরে ভোগান্তিতে অর্ধলক্ষ মানুষ! 


চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মধ্য মাদার্শা এলাকায় কাটাখালী খালের ওপর নির্মিত একটি সেতু ( আবুল খায়ের ব্রীজ) চার বছর পার হলেও এখনো জনসাধারণের কাজে লাগেনি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি ব্যবহারযোগ্য না হওয়ায় আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের মুখে পড়ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটি নির্মাণ শেষ হলেও এর দুই পাশে প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক তৈরি করা হয়নি। পাশাপাশি সেতুর ওপর একটি বিদ্যুৎ বিভাগের খুঁটি থাকায় যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ফলে সেতুটি কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতুটি চালু হলে অন্তত ৮–১০টি গ্রামের মানুষের সঙ্গে উপজেলা সদর ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের যোগাযোগ সহজ হতো। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক ও রোগীবাহী যান চলাচলে বড় সুবিধা মিলত। কিন্তু সেতু ব্যবহারের সুযোগ না থাকায় তাদের এখন বিকল্প দীর্ঘ ও ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে প্রভাব

এলাকাটিতে একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ রয়েছে। প্রতিদিন অনেক শিক্ষার্থী এই পথ দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে খাল ও আশপাশের জমি পানিতে তলিয়ে গেলে শিক্ষার্থীদের চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এতে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তার ঝুঁকিও বাড়ে।

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ দৈনিক প্রথম আলো।

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ দৈনিক প্রথম আলো।

এক অভিভাবক বলেন, “সেতুটা হলে ছেলেমেয়েদের স্কুলে যেতে কষ্ট হতো না। এখন ঘুরে অনেক দূর দিয়ে যেতে হয়।”
হালদা নদীসংলগ্ন এলাকার উদ্বেগ

মধ্য মাদার্শা এলাকা হালদা নদীর নিকটবর্তী হওয়ায় সেতু নির্মাণ ও ব্যবহারের বিষয়টি পরিবেশগত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি ব্যবহার না হওয়ায় মানুষ বিকল্পভাবে হালদা নদীসংলগ্ন সরু পথ ও খালের পাড় দিয়ে চলাচল করছে, যা নদীতীর ক্ষয় ও পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য, হালদা নদী দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক কার্প মাছের প্রজননক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ খুঁটি সরানোর বিষয়টি আলাদা দপ্তরের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় কাজটি বিলম্বিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় সমন্বয় শেষ হলে সেতুটি ব্যবহার উপযোগী করা হবে বলে তারা দাবি করেন।
তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, একটি ছোট প্রকল্প বাস্তবায়নে যদি বছরের পর বছর লেগে যায়, তাহলে উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষ কবে পাবে? এলাকাবসী বারংবার বিদ্যুৎ বিভাগের সাথে যোগাযোগ করেও এর কোন সুফল পাননি। সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলোর মত শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকীয় পাতাতেও এই সেতুকে কেন্দ্র করে ” নাগরিকের সঙ্গে এ কেমন পরিহাস “ শিরোনামে মত প্রকাশ করা হয়।

ত্রয়োদশ নির্বাচনের কারণে এই সেতু সহসাই চলাচল উপযোগী হচ্ছে না ; এটা নিশ্চিত। তবে এলাকাবাসীর চাওয়া যত দ্রুত সম্ভব তাদের দীর্ঘ চার বছরের দুর্ভোগ যেন সহসাই লাঘব হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট