1. live@www.priyohalda.online : - : - -
  2. news@priyohalda.online : www.priyohalda.online www.priyohalda.online : www.priyohalda.online www.priyohalda.online
  3. info@www.priyohalda.online : প্রিয় হালদা :
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন

জাপান -বাংলাদেশ ঐতিহাসিক অংশীদারীত্ব চুক্তি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের নতুন দিগন্ত: ঐতিহাসিক ইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত
নিজস্ব প্রতিবেদক | টোকিও, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক উন্মোচিত হলো। গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) জাপানের রাজধানী টোকিওতে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি’ (EPA) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য প্রথম কোনো দেশের সাথে সম্পন্ন হওয়া পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।

চুক্তির মূল দিকসমূহঃ 
জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাপানের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ২০২৬ সালে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণের পর জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা বজায় রাখাই এই চুক্তির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
যা থাকছে এই চুক্তিতে:
* ৭,৩৭৯ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা: এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ মোট ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শতভাগ শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।
* পোশাক খাতে বিশেষ সুবিধা: তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে ‘সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন’ সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যা কাঁচামাল আমদানির শর্ত শিথিল করে রপ্তানি প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করবে।
* জাপানি পণ্যের প্রবেশাধিকার: বিনিময়ে বাংলাদেশ জাপানের ১,০৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত বা অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা দেবে। তবে স্থানীয় অটোমোবাইল শিল্পকে সুরক্ষা দিতে জাপানি গাড়ির ওপর এখনই শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়নি।
* সেবা খাতে কর্মসংস্থান: আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, নার্সিং ও কেয়ারগিভিং-সহ জাপানের ১২০টি সেবা খাতে বাংলাদেশের দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য বড় বাজার উন্মুক্ত হয়েছে।
দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতিফলন

চুক্তি স্বাক্ষর শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, “এই ইপিএ কেবল একটি বাণিজ্যিক দলিল নয়, এটি বাংলাদেশ ও জাপানের গভীর পারস্পরিক আস্থা ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের বহিঃপ্রকাশ।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের উৎপাদন, জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে জাপানি বিনিয়োগ (FDI) বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

পটভূমি ও গুরুত্বঃ
২০২২ সালে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে এই চুক্তির প্রাথমিক সমীক্ষা শুরু হয়েছিল। সাত দফা দর-কষাকষির পর মাত্র চার বছরের মাথায় এই জটিল প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলো। বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণের সন্ধিক্ষণে জাপানের মতো শক্তিশালী অর্থনীতির সাথে এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের বিশ্ববাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতা বাড়াবে।

 

এই ঐতিহাসিক চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির ক্ষেত্রে জাপানি প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা পাওয়ার পথ আরও সুগম হলো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট